Blood Booster -ব্লাড বুস্টার 2021

0
60

১. মুনাক্কা (Blood Booster) এর জন্য—

প্রথমত (Firstly) রাতে ১০ থেকে ১২ টি মুনাক্কা ধুয়ে ভিজিয়ে দিন। ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে মুনাক্কার বীজ বের করে,

খুব চিবিয়ে চিবিয়ে খান। ২ থেকে ৪ সপ্তাহ সেবন করলে রক্তের (Blood Booster) পরিমান বৃদ্ধি হয়।

এটি প্রয়োগ করলে রক্ত পরিষ্কার হয় ,এবং নাক দিয়ে রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে থাকে।

অন্যদিকে (on the other hand) মুনাক্কা বীর্যবর্ধক ,পেট এবং ফুসফুসের রোগে লাভদায়ক।

২.কিশমিশ —

দ্বিতীয়ত (secondly) ২৫ থেকে ৩০ কিশমিশ নিয়ে প্রাতঃ গরম জলে ধুয়ে পরিষ্কার করে ,কাঁচা দুধে ডুবিয়ে দিন।

তারপর (after that) আধা থেকে ১ ঘন্টা পরে দুধ সহ কিশমিশ ফুটিয়ে নিন। এবার প্রথমে কিশমিশ এক এক করে

খেয়ে তারপর গরম দুধ সেবন করুন ,এতে (Blood Booster) রক্ত বৃদ্ধি হবে।

অন্য দিকে (on the other hand) যাদের শীতকালে অধিক ঠান্ডা অনুভব হয় ,শীতের জন্য কাঁপতে থাকে এবং

সপ্তাহ ভর স্নান করবার ইচ্ছা হয় না,এই প্রয়োগ কিছু দিন করলে অধিক ঠান্ডা অনুভব করার সিকায়ত দূর হয়ে যায়।

এছাড়াও (in addition) পুরোনো রোগ অধিক দুর্বলতা ,নিম্ন রক্তচাপ ,কিডনির রোগ ,বদহজম ইত্যাদি

কিশমিশ চিকিৎসায় খুব লাভ হয়ে থাকে।

ব্লাড বুস্টারে (Blood Booster) আঙ্গুরের প্রয়োগ

আঙ্গুরের রস ২৫ গ্রাম মাত্রায় দিনে ২ বার ভোজন করার আধা ঘন্টা পরে, দুই থেকে তিন সপ্তাহ

সেবন করলে রক্ত (Blood Booster) বৃদ্ধি হয়। এছাড়াও (in addition) কিছু দিনের মধ্যে পেট ফুলা, বদহজম ,অফারা ,

হার্ড এটাক ,মাথা ঘোড়া ,মাথা যন্ত্রনা ইত্যাদি রোগ দূর হয়ে যায়। মহিলাদের জন্য এই আঙ্গুরের রস বিশেষ লাভ দায়ক।

তেমনি (Likewise) তাজা আঙ্গুরের রস দুর্বল রোগীদের জন্য শক্তি বৰ্দ্ধক।

আঙ্গুরের রস শরীরে নতুন রক্ত (Blood Booster) তৈরী করে ,এবং মাংস পেশি গুলি সুদৃড় করে থাকে।

ফলস্বরূপ ( as a result) চেহারার বর্ণটি পরিষ্কার এবং লালিত্ব করে তোলে। এই রস সেবন করলে মূত্রাশয়ের দুর্বলতা

দূর করে মূত্র পরিমান মতো হয়ে থাকে। একইভাবে (similarly) আঙ্গুরের রস ফুসফুসের বিভিন্ন রোগে উপকৃত হয়।

বাচ্চাদের সামান্য দুর্বলতা দূর ও রক্ত বৃদ্ধির (Blood Booster) করার জন্য আঙ্গুরের রস বা আঙ্গুর সর্বোত্তম ঔষধি।

প্রতিদিন তৃতীয় প্রহর, অর্থাৎ দুপুরে খাবার পর দুই চামচ আঙ্গুরের রস বাচ্চাদের সেবন করালে ,বাচ্চা হৃষ্ট -পুষ্ট হয়।

এবং বাচ্চাদের শুকনো রোগ হয় না, চেহারায় লালিত্ব থাকে ।

তদুপরি (moreover) বাচ্চাদের কঠোর কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ে পেট পরিষ্কার থাকে।

আঙ্গুর,কিশমিশ ,মুনাক্কায় ,লৌহ তত্ব প্রচুর পরিমানে থাকার কারণে রক্তে

লোহিতকণিকার ( Hemoglobin )(Blood Booster) বৃদ্ধি হয়।

কিন্তু (But) ডায়াবেটিস (Diabetes) রোগী দের আঙ্গুর,কিশমিশ ,মুনাক্কা সেবন করা নিষেধ।

সহায়ক চিকিত্সা (Supportive treatment)

প্রথমত (Firstly) খাবার দ্রব্য এতটা চিবাতে হবে যাহা মুখেই তরল রস তৈরী হয়ে যায়।

দ্বিতীয়ত (secondly) শরীরে রক্ত আর রক্তের মধ্যে লোহিত কণিকা কম হলে পালনশাকের রস ১২৫ গ্রাম মাত্রায়

কিছু দিন সেবন করা প্রয়োজন। ফলস্বরূপ ( as a result) (Blood Booster)রক্ত বৃদ্ধি হয়, চেহারা গোলাপ ফুলের

মতো ঝলমলে হয়ে থাকে। পালনশাককে লোহা এবং তামার খনি বলা হয়,অর্থাত (That is) পালনশাক সেবন করলে

প্রায় সব রকম ভিটামিন B কমপ্লেক্স এর পূর্তি হয়ে থাকে।

রক্তের মধ্যে লোহিত কণিকা পর্যাপ্ত পরিমান হওয়ার কারণে মানসিক চিন্তা ,নিম্ন ও উচ্চ রক্ত চাপ ,

গিটের ব্যথা ,ফুলে যাওয়া সব কিছু তে লাভান্নিত হয়ে থাকে।

তৃতীয়ত (Thirdly) টমেটায় লৌহ তত্ব দুধের থেকে দুই গুনা আর ডিমের সাদা অংশ থেকে পাঁচ গুনা বিদ্যমান থাকে।

ফলস্বরূপ ( as a result) রক্তকে সর্বদা প্রত্যমলাবানিয়ে শুদ্ধ রাখে ,ও রক্তের প্রতিরোধক শক্তি বাড়ায়।

এছাড়াও (in addition) টমেটা সেবন করলে নেত্র রোগ থেকে বাঁচায় , লিভারের দুর্বলতা দূর করে।

পেটের হানিকারক কৃমি মেরে বাহিরে বেরকরে দেয়, এছাড়াও (in addition) শরীরে পাঁচন শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে।

কিন্তু (But) যাদের পেটে পাথরি আছে তাদের টমেটোর সেবন করা নিষেধ।

চতুর্থ (Fourthly) আঙ্গুর ,পালন শাক ,টমেটা ,এছাড়া আমলকি,পিপুল,গাজর,বিটকোফি,বেতোশাক,মেথিশাক,বেদানা,

মুলাশাক,তেতুল,আপেল,কমলালেবু,এসব ভালো (Blood Booster) রক্তবর্দ্ধক খাবার।

বিটকফির রস আধা কাপ মাত্রায় দিনে তিন-চার বার সেবন করলে

ব্লাড ক্যান্সার (Lukemia) এ খুব ভালো লাভ হয়ে থাকে।

The Benefits of Aloe Vera (2021) অ্যালোভেরার উপকারিতা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here